সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
অনুসন্ধান ২৪ অনলাইন >> রংপুরের গঙ্গাচড়ার একটি পুকুর থেকে উম্মে হানি (৪২) নামে দুই সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্ত ও সুরতহাল রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে গঙ্গাচড়া থানার ওসি নুর আলম (তদন্ত) জানান, শনিবার রাতে খাবারের পর বড়বিল ইউনিয়নের মাল্লিপাড়া গ্রামের জিয়ারুল ইসলাম ও তার স্ত্রী উম্মে হানি (৩৫) ঘুমিয়ে পড়েন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে উম্মে হানির লাশ স্বামী জিয়ারুল বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তুলে বাড়ির উঠানে নিয়ে এসে রাখেন।
নিহতের মেয়ে জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে তার মা-বাবাকে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আর পুলিশ বলছে, এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলছেন, রোববার সকালে খবর পেয়ে আমরা উপজেলার বাড়ির খুলি থেকে তার লাশ উদ্ধার করি। সেখানে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাই।
এ বিষয়ে একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই স্পষ্ট হবে তাকে হত্যা করা হয়েছে নাকি কোনোভাবে তিনি মারা গেলেন।
ঘটনাস্থল থেকে থানার এসআই আব্দুর রউফ জানান, স্বামী ঘটনার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে। সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশ থানায় এনে মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের মেয়ে জবা বেগম জানান, আমার বাবা তিনমাস আগে গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নে ভুটকা গ্রামে জান্নাতি নামের একজনকে বিয়ে করেন। এ নিয়ে বাপের সাথে মায়ের ঝগড়াঝাটি লেগেই ছিল। আমার বাবা আমার মাকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিয়েছে। তবে নিহতের ছেলে জীবন জানান, আমার মায়ের মৃগী রোগ ছিল।
ঘটনাটি হত্যা নাকি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখতে পুলিশের কাছে দাবি জানিয়েছে নিহতের পরিবার এবং স্থানীয়রা।